জুলাই গণঅভ্যুত্থান: চেতনা, স্মৃতি ও ভবিষ্যৎ ভাবনা
জুলাই গণঅভ্যুত্থান: চেতনা, স্মৃতি ও ভবিষ্যৎ ভাবনা
ভূমিকা: ইতিহাসের কিছু বিশেষ মুহূর্ত থাকে, যা কোনো জাতির দীর্ঘ পথচলায় কেবল ঘটনার ধারাবাহিকতা মাত্র নয়, বরং এক মহাকালান্তিক রূপান্তরের দিশারী হয়ে দাঁড়ায়। তেমনি ২০২৪ সালের জুলাই মাস বাংলাদেশী মানুষের জাতীয় জীবনে তেমনই এক কালজয়ী অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছে। যে তরুণ সমাজকে একসময় রাজনীতিবিমুখ, আত্মকেন্দ্রিক কিংবা প্রযুক্তি নির্ভর বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছিল, তারাই ইতিহাস নির্ধারিত এক অমোঘ মুহূর্তে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, রাষ্ট্রযন্ত্রের স্বৈরাচারী রূপের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলো প্রকম্পিত সুউচ্চ প্রাচীর হয়ে।
এদেশের জন্য জুলাই অভ্যুত্থান ছিল একটি নবজাগরণ। এর মাধ্যমে মানুষ ক্ষমতাকে প্রশ্ন করতে শিখেছি, মানুষ শিখেছে ক্ষমতায় সবকিছু নয় জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব। ফ্যাসিবাদী সরকারের শোষণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, বৈষম্য এবং বাকস্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে সাধারণ ছাত্র-জনতার সংবদ্ধ প্রতিবাদ এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক চেতনায় রূপ নেয়। এ অভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে যে, কোনো জাতির গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে দীর্ঘকাল বুলেট কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করে রাখা যায় না। রক্তঝরা এই রক্তিম জুলাই আমাদের শিখিয়েছে, গণতন্ত্র কোনো উপহার নয়, তা ক্রমাগত লড়াই ও সজাগ নাগরিক চেতনার এক প্রদীপ্ত ফসল।
২. জুলাইয়ের চেতনা: জুলাই গণঅভ্যুত্থান
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সূচনা হয়েছিল একটি অতি সাধারণ এবং যৌক্তিক সামাজিক দাবি নিয়ে সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কার ও মেধার স্বীকৃতি। কিন্তু এই আন্দোলনের অন্তঃসলিল প্রবাহটি কেবল একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থার পরিবর্তনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ফ্যাসিবাদী সরকার এদেশের সাধারণ মানুষকে গুম, খুন, হত্যা কিংবা ধর্ষণ এমনকি এমন কোন অত্যাচার বাদ নেই যা ফ্যাসিবাদী সরকার করে নি। বছরের পর বছর ধরে জমতে থাকা জনমানুষের ক্ষোভ, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, নির্বাচনের নামে ভোটাধিকার হরণ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি চরম অনাস্থাই এই আন্দোলনকে অতি দ্রুত এক সর্বাত্মক দাবানলে পরিণত করে। এই আন্দোলনের প্রধান চালিকাশক্তি ছিল-
‘বৈষম্যহীন সাম্যের আকুতির সাথে ক্ষমতার ন্যায্য ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা’।
জুলাইয়ের চেতনা মূলত তিনটি সুনির্দিষ্ট স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে:
ক. নাগরিকের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা: যে রাষ্ট্রে নাগরিকের মতামত প্রকাশের অধিকার খর্ব হয়, তা দিনশেষে একপ্রকার অদৃশ্য কারাগারে পরিণত হয়। জুলাই আন্দোলন সেই গুমোট পরিবেশ ভেঙে নাগরিককে তার কণ্ঠস্বর ফিরিয়ে দিয়েছে।
খ. রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা: দীর্ঘদিন ধরে পঙ্গু হয়ে যাওয়া বিচার ব্যবস্থা পুনরায় একটি স্বাধীন সার্বভৌম প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার একটি সুন্দর প্রয়াস পেয়েছে ২৪'র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। ঠিক এখনই সময়, বিচারব্যবস্থাকে দলীয়করণ মুক্ত করে একটি সুন্দর সাবলীল নীতিগত বিচার ব্যবস্থা চালুর। পূর্বের ফ্যাসিবাদী কাঠামো গঠনে নিরাপত্তা বাহিনী কিংবা আইনশৃঙ্খলার রক্ষাকারী বাহিনী ভূমিকাও কম নয়। তারা একটি সরকারকে পরিপূর্ণভাবে ফ্যাসিবাদী সরকারে রূপান্তর হওয়ার জন্য পুরোদমে কাজ করেছিল। প্রিয় মাতৃভূমিকে সুস্থ ও বসবাসযোগ্য করে তুলতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পুনর্গঠনের বিকল্প নেই।
গ. সুযোগের সমতা: বিশেষ কোন রাজনৈতিক কিংবা পারিবারিক পরিচয় নয়, বরং যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার রাষ্ট্রের কর্তব্য। এই চেতনার মূলে রয়েছে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার’। দীর্ঘ ৫০ বছর পর তরুণ প্রজন্ম আবার সেই মূল চেতনার পুনর্জাগরণ ঘটিয়েছে। এটি প্রমাণ করেছে যে, যখন রাষ্ট্র তার মৌলিক সামাজিক চুক্তি (Social Contract) ভঙ্গ করে, তখন জনতা তার সার্বভৌম ক্ষমতার প্রয়োগ ঘটাতে বাধ্য হয়। কারণ ব্যস্ততার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ।
৩. স্মৃতি ও আত্মত্যাগ: ইতিহাস শুধুমাত্র একটি নিছক ঘটনাকে কেন্দ্র করা হয় না বরং এটি লিখিত হয় শত শত তাজা রক্তের বিনিময়, মায়েদের বুক খালি করার বিনিময়ে, বোনদের ভাই হারানোর বিনিময়ে কিংবা স্ত্রীদের প্রাণপ্রিয় স্বামী হারানোর মাধ্যমে। ঠিক ২৪'র গণঅভ্যুত্থানেও তাই হয়েছে, রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধের মতো শত শত উদীয়মান নক্ষত্রের তাজা রক্তে। চোখে গুলি লেগে চিরতরে দৃষ্টি হারিয়েছে অগণিত তরুণ; পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষকে।
স্মৃতি মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ অস্ত্র। যদি এই শহীদ ও আহতদের স্মৃতিকে যদি কেবল শোক কিংবা আবেগের মোড়কে বন্দি করে রাখা হয়, তবে তা হবে তাদের আত্মত্যাগের অবমূল্যায়ন। স্মৃতির প্রকৃত তাৎপর্য নিহিত রয়েছে উত্তরপ্রজন্মের দায়িত্ববোধের মধ্যে। তাইতো জর্জ সান্তায়না উক্তি করেছেন,
"Those who cannot remember the past are condemned to repeat it.” -
অর্থাৎ যারা অতীতকে মনে রাখতে পারে না, তারা একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে বাধ্য।
উত্তরপ্রজন্মের দায়িত্ব হলো এই আত্মত্যাগের স্মারককে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কারের শক্তিতে রূপান্তরিত করা। যাতে করে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে এরকম ফ্যাসিবাদী কাঠামোর শিকার হয়ে, তরুণ যুবক কিংবা বৃদ্ধের রক্তপতে স্বীকার হতে না হয়। রাজপথের লড়াই যেখানে শেষ, সেখানে চিন্তার ও প্রশাসনিক লড়াইয়ের শুরু। আবু সাঈদদের আত্মত্যাগ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, রাষ্ট্র ক্ষমতার যে কোনো অপব্যবহার প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকে সর্বদা সজাগ চোখ রাখতে হবে। শহীদের রক্ত কেবল একটি ইতিহাসের অংশ নয়, তা নতুন বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তিমূল।
৪. গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও নাগরিক দায়িত্ব: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক অর্জনকে অর্থবহ ও টেকসই করে তুলতে হলে একে কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। একটি স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অবসানের পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় রাষ্ট্রকাঠামোর গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। রাজপথের বিজয়কে যদি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা না যায়, তবে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটার ঝুঁকি থেকে যায়। গণতন্ত্র কোনো একদিনের নির্বাচনকেন্দ্রিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি একটি নিরবচ্ছিন্ন চর্চা। বাংলাদেশে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে যে বিষয়গুলোর প্রতি অবিলম্বে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন:
সংবিধান ও আইনি সংস্কার: বিচার বিভাগের শতভাগ স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করা এবং শাসন বিভাগের ক্ষমতার চরম একচেটিয়াত্ব রোধে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা।
প্রতিষ্ঠানের পেশাদারত্ব উদ্ধার: পুলিশ, নির্বাচন কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের মতো স্পর্শকাতর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করে পেশাদারি ও নিরপেক্ষ কাঠামোর ওপর দাঁড় করানো।
ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা: মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণহত্যাকারী প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা, যা ভবিষ্যতে যেকোনো স্বৈরাচারী মানসিকতার জন্য প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান
একই সাথে, নাগরিকদের দায়িত্বও এখানে অপরিসীম। সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণকে কেবল রাষ্ট্রের সমালোচক না হয়ে এক একজন ‘সজাগ প্রহরী’ (Vigilant Citizen) হিসেবে ভূমিকা পালন করতে হবে। রাজপথের প্রতিবাদ থেকে শুরু হওয়া চেতনাকে এখন আইনি, সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের সংলাপে রূপ দিতে হবে।
৫. তরুণ সমাজ ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ: ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে তরুণ সমাজই পথ দেখিয়েছে। ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ কিংবা ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২০২৪-এর তরুণ প্রজন্ম আবারো প্রমাণ করেছে যে, বাংলাদেশ যখনই সংকটে পড়ে, এই তরুণদের হাত ধরেই উদ্ধার পায়। তবে রাজপথের আন্দোলন পরিচালনা করা আর একটি রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক ভিত্তি গড়া-দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। ২০২৪-এর নতুন প্রজন্মের সামনে এখন এক বিশাল ঐতিহাসিক দায়ভার। তরুণদের এই ঐতিহাসিক শক্তিকে ভবিষ্যৎ গঠনে কাজে লাগাতে হলে কয়েকটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আত্মনিয়োগ করতে হবে:
মেধাভিত্তিক রাজনীতির চর্চা: বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা লেজুর ভিত্তিক রাজনীতি চর্চার অবসান ঘটিয়ে সুস্থ বুদ্ধি ভিত্তিক এবং সুন্দর গঠনমূলক রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রণয়ন করতে হবে। আর এটিই হচ্ছে জুলাইয়ের অন্যতম স্পিরিট।
জ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ নির্মাণ: চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে বাংলাদেশকে বিশ্বের সম্মুখে টিকিয়ে রাখতে হলে কেবল স্লোগান নয়, বরং উদ্ভাবন, আধুনিক শিক্ষার উৎকর্ষ সাধন, গবেষণা ও বৈশ্বিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
সহনশীলতা ও বহুত্ববাদ: বাংলাদেশ একটি বহুত্ববাদী দেশ যেখানে বসবাস করে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান কিংবা নানা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। যারা দীর্ঘদিন ধরে এদেশের সহাবস্থানের সহিত বসবাস করে আসছে এবং বারংবার একে অন্যের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে আসছি। আর জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিটে দেশ গঠনের মাধ্যমে একটা অন্তর্ভুক্তিমূলক বিধি-ব্যবস্থা চালু করে রাষ্ট্রের গঠন জরুরী। আর তরুণদের চিন্তা ও কর্মের মধ্য দিয়েই নির্ধারিত হবে আগামীর বাংলাদেশ একটি কার্যকর, স্বনির্ভর ও সম্মানজনক রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে কিনা।
৬. উপসংহার: জুলাই গণঅভ্যুত্থান
একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি হচ্ছে তার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামো, আর যখন এই কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন পুরো দেশ অচল বিশ্বের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। ২৪ শের জুলাই অভ্যুত্থান বাংলাদেশকে পূর্ণগঠনের একটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এই পূর্ণগঠন শুধুমাত্র রাজনৈতিক নয়, প্রশাসনিক সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক সব ক্ষেত্রেই বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়তা করবে। শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা আমাদের শেখায় যে, সাময়িক অন্ধকার যতই ঘন হোক না কেন, সম্মিলিত চেতনার আলো দিয়ে তাকে পরাভূত করা সম্ভব।আর এই রক্তিম জুলাই আমাদের সামনে দুটি পথ খুলে দিয়েছে। একটি হলো পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তি করে আবারো কোনো স্বৈরাচারের হাতে বন্দি হওয়া, আর অন্যটি হলো প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, ন্যায়বিচার এবং মেধার মূল্যায়নের মাধ্যমে একটি সাম্যভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ করা। জুলাই গণঅভ্যুত্থান
আজকের তরুণদের দায়িত্ব হচ্ছে রাষ্ট্রের মহাজাগতিক পরিবর্তনের লক্ষে কাজ করা। আবু সাঈদ, মুগ্ধদের রক্ত যেন কোনো ব্যর্থ রাজনৈতিক সমীকরণে হারিয়ে না যায়, এটিই হোক আমাদের রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার। রক্তেভেজা জুলাইয়ের পথ ধরে যে নতুন ভোর এসেছে, সেই ভোরকে লালন করে একটি সার্বভৌম, গণতান্ত্রিক ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আমাদের যৌথ প্রত্যয়।
Read more:

